কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬ এ ১২:৩৬ PM
কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৫-০৫-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ০১-০৫-২০৩১
বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে ইতঃপূর্বে চালুকৃত বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রাইমারি কন্ট্রোল-FGMO এর পাশাপাশি সেকেন্ডারি কন্ট্রোল-AGC চালু করা হয়েছে। পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি’র আওতাধীন ন্যাশনাল লোড ডিসপাস সেন্টার (এনএলডিসি) এর তত্ত্বাবধানে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) এর সহায়তায় এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের অংশগ্রহণে AGC চালু করা হয়েছে। এর ফলে গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি’র স্থিতিশীলতা বেড়েছে যা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে নিরাপদে সংযুক্ত করা ও পরিচালনায় সহায়ক হবে।
গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা রক্ষার্থে পাওয়ার গ্রিড কর্তৃক গৃহীত "বাংলাদেশ পাওয়ার সিস্টেম রিলায়েবিলিটি এন্ড ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট” শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় ইতঃপূর্বে এনএলডিসি’র EMS সফটওয়্যার আপডেট এবং ৩০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে FGMO (Free Governor Mode of Operation) চালু করা হয়েছে।
বর্তমানে গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে সেকেন্ডারি কন্ট্রোল AGC (Automatic Generation Control) -এ ১২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র যুক্ত করা হয়। এতে দেখা যায়, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কন্ট্রোল একযোগে চালু রাখলে গ্রিডের ফ্রিকুয়েন্সির স্থিতিশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে। গত ২৮ ও ২৯ এপ্রিল তারিখে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখতে ‘স্পিনিং রিজার্ভ’ প্রয়োজন হয়। স্পিনিং রিজার্ভ নিশ্চিত হলে FGMO এবং AGC এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো জাতীয় গ্রিডের প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বেশি বা কম করতে পারে। এটি গ্রিড ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতার জন্য একটি অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র সমূহ হতে প্রয়োজনীয় ‘স্পিনিং রিজার্ভ’ রাখা এবং কেন্দ্রগুলোকে FGMO এবং AGC -এ চালু রাখা হলে ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে যা রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে।